স্বাদের ইলিশ বাজারে আসা শুরু হয়েছে। তবে দাম এখনও চড়া। দাম বেড়ে প্রতি হালি ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৬-৪০ টাকায়। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি ও আটার দাম স্থিতিশীল রয়েছে। এছাড়া আলু ও রসুনের দাম বেড়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, কাপ্তান বাজার, ফকিরাপুল বাজার এবং মুগদা বড় বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের দরদামের এসব তথ্য পাওয়া গেছে। দাম বেড়ে প্রতিকেজি রসুন ১৪০-১৫০ এবং প্রতিকেজি আলু ২০-২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে।

 

এছাড়া মাছের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। একাধিক বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা প্রতি হালি ডিম ৩৮-৪০ টাকায় বিক্রি করছে। গত পনেরো দিন ধরেই ডিমের বাজার অস্থিতিশীল। ডিমের উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণে খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে বলে দাবি করেছে খামার মালিকরা। তাদের মতে, বিভিন্ন কারণে দেশের বেশির ভাগ খামার বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া মুরগির খাবার ও বাচ্চা মুরগির দাম বৃদ্ধিও ডিমের দাম বাড়ার অন্যতম কারণ। ফের উৎপাদন স্বাভাবিক না হলে দাম হ্রাস পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।

 

এ প্রসঙ্গে কাপ্তান বাজারের ডিম বিক্রেতা মনির জনকণ্ঠকে বলেন, বাজারে ডিমের দাম বাড়তি হলেও সরবরাহ কম। কিন্তু চাহিদা কমেনি। যে কারণে ঈদের পর কয়েক দফায় ডিমের দাম বেড়েছে। চলতি সপ্তাহেই ডজন প্রতি ডিমের দাম ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে।

 

এছাড়া এক সপ্তাহের ব্যবধানে গোল আলুর দাম কেজিতে দুই থেকে পাঁচ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে আলুর দাম ছিল কেজি প্রতি ১৮ থেকে ২০ টাকা। সেই আলু এখন বিক্রি হচ্ছে ২২ থেকে ২৫ টাকায়। এদিকে বাজারে পেঁয়াজের দাম প্রতিকেজিতে অন্তত তিন টাকা কমেছে বলে ব ্যবসায়ীরা জানান।

 

কাওরান বাজারে এক পাল্লা (পাঁচ কেজি) পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা ১৪০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে এক পাল্লা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা। এছাড়া ভরা মৌসুমে বাজারে ইলিশের দাম চড়া। প্রতিজোরা মাঝারি সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা।

 

 

সূত্র

দৈনিক জনকন্ঠ

 
 

মন্তব্য করুন